ঢাকা , শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ , ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুরির শাস্তি হিসেবে পড়তে হবে ২০০ রাকাত নফল নামাজ

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২১-০৮-২০২৬ ০১:২১:২৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২১-০৮-২০২৬ ০১:২১:২৬ অপরাহ্ন
চুরির শাস্তি হিসেবে পড়তে হবে ২০০ রাকাত নফল নামাজ ছবি : সংগৃহীত
হবিগঞ্জের মাধবপুরে চুরির অভিযোগে এক যুবককে আটক করার পর তাকে মারধর না করে ২০০ রাকাত নফল নামাজ আদায়ের শাস্তি দিয়েছেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার নোয়াপাড়া বাজারে মোবাইল চুরির দায়ে ওই যুবককে আটক করেন স্থানীয়রা।

আটক চোরকে ঘিরে বাজারে শত শত মানুষের ভিড় জমে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা তাকে মারধর না করে ধর্মীয় ইবাদতের মাধ্যমে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলে ২০০ রাকাত নফল নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত দেন।

আটক যুবকের বাড়ি মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের দাশপাড়া গ্রামে। তিনি ওই এলাকার তাজু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, ওই যুবক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মোবাইল চুরির সঙ্গে জড়িত। তবে এ দাবির বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। ভিডিওটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মনির মিয়া বলেন, চুরির অভিযোগে আটক ব্যক্তিকে মারধর না করে ধর্মীয় ইবাদতের মাধ্যমে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম আতাউল মোস্তাফা সুহেল বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। তবে কাজটি তারা ঠিক করেনি। নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া উচিত নয়। তাদের উচিত চোরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হবিগঞ্জ জজ কোর্টের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. সাজিদুর রহমান বলেন, বিচার করার এখতিয়ার বিচার বিভাগের। নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়াও অপরাধ। স্থানীয় লোকজন যে কাজটি করেছে, সেটি ঠিক হয়নি। তাদের উচিত ছিল ওই ব্যক্তিকে প্রশাসনের কাছে তুলে দেওয়া।

এ বিষয়ে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। খবর নিয়ে জানতে হবে আসলে কী হয়েছে।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ